শনিবার, ৯ নভেম্বর, ২০১৩

*বাংলাদেশ সেনাবাহিনী*

. Cobra 2 LAV :



বাংলাদেশ সেনাবাহিনী অতি সম্প্রীতি তুরস্ক থেকে আমদানী করেছে Otokar Cobra II LAV(Light Armoured Vehicles) । ৫০ ক্যালিবারের হেভি মেশিন গান ছাড়াও এতে আছে ৫ টি স্মোক গ্রেনেড লাঞ্চার ও ইনফ্রারেড ক্যামেরা । প্রায় ৭ টন ওজনের এই ভেহিকেলটি ড্রাইভার বাদে ৮ জন সৈন্য বহন করতে পারে । ২৫০ এইচপির ইঞ্জিন নিয়ে সর্বোচ্চ ১১০ কিঃমিঃ/ ঘন্টায় ৭০০ কিঃমিঃ পর্যন্ত যেতে পারে । পেট্রল মিশনের সময় এই কোবরা সেনাবাহিনীর ফায়ারপাওয়ার ও মোবিলিটিতে বৃদ্ধিতে অনেক সহায়তা করবে । সাধারনত পেট্রল মিশনের সময় সেনাবাহিনীতে টয়োটা ল্যান্ড ক্রুজার ৭৯ সিরিজ ব্যাবহার করা হয় । নিকট ভবিষ্যতে সব গুলো টয়োটা কোবরার মাধ্যমে রিপ্লেস করা হবে । পুরাই হিরো হিরো ভাব 


"যুদ্ধ দানব ট্যাঙ্ক" (( #১ম_খন্ড))


ট্যাংকের শৈশব কেটেছে প্রথম বিশ্বযুদ্ধে । একটা ট্যাংক বনাম ট্যাংক লড়াই ও হয়েছিলো কামব্রাইতে- কিন্তু সেটা নেহাৎ ই অ্যাকাডেমিক। যুদ্ধ নয়, যুদ্ধের মহড়া। আর নাৎসি বাহিনী পোল্যান্ড আক্রমন করে দ্বিতীয় বিশ্ব যুদ্ধের অফিসিয়াল খাতা খুলল ১৯৩৯ সালে। এই অন্তর্বর্তী একুশ বছরে ট্যাংক নিয়ে কিছুটা চিন্তা ভাবনা হয়েছিলো। 


ট্যাংকের কর্মটা কি ? 
------------------- 
জার্মানীতে গুডেরিয়ান লিখলেন আখটুঙ্গ প্যান্জার আর ব্রিটেইনে লিডেলহার্টও তাঁর ভবিষ্যতের ট্যাংক যুদ্ধের থিসিস লিখলেন। বিশেষত: ব্রিটেইনে ট্যাংক নিয়ে কিছুটা ভাবনা চিন্তা শুরু হয়েছিলো। ফ্রান্সে, এক তরুন দ্য গলও লিখলেন মোবাইল যুদ্ধের বিবরণ (Vers l`Armee de Metier) । এঁরা সকলেই আগামী দিনের যুদ্ধ যে হবে ট্যাংক নির্ভর সেই নিয়ে বই লিখছেন। এঁদের উল্টো মেরুতে তখনকার দিনের তাবৎ জাঁদরেল জেনারেলেরা যাঁরা বিশ্বাস করতেন দুর্গ প্রাকারের দিন শেষ হয় নি। 
ফরাসি জেনারেল Chauvineau লিখলেন একটি বই। তার ইংরাজী নাম is an invasion still possible? । এর মুখবন্ধ আবার লিখেছিলেন মার্শাল পেঁত্যা। লেখক বলছিলেন ট্যাংক আর এরোপ্লেন যতই কেনো উন্নত হোক না কেন লড়াই হবে ইনফ্যাϾট্রর সাথে ইনফ্যাϾট্রর। তাই ফ্রান্সে চাই চীনের দেওয়ালের মতন সুদীর্ঘ দুর্গ প্রাচীর। 

মোটামুটি একমত সকলেই। যুদ্ধ হবে পদাতিক সেনাদের মধ্যেই। হ্যাঁ, ট্যাংকের ও প্রয়োজন আছে। তবে সেটা নেহাৎই সাপোর্টিভ রোল। যেমন ট্রেঞ্চ ডিঙিয়ে পার হওয়া। পদাতিক সেনাদের সহায়ক, তাই স্পিড হওয়া চাই কম। ঘন্টায় ছয় মাইলই যথেষ্ট। আর বিপক্ষের ট্যাংকের সাথে লড়াই করবে কে ? কেন ? ট্যাংক বিধ্বংসী কামান রয়েছে। ট্যাংক বনাম ট্যাংকের যুদ্ধকে উড়িয়ে দিলেন এই সব স্ট্র্যাটেজিস্টেরা। 



যুদ্ধ দানব ট্যাঙ্ক" (( #২য়_খন্ড))

আধুনিক যুদ্ধের হাতিয়ার হিসেবে "ট্যাঙ্ক" একটি মারাত্নক অস্র,আর এই ট্যাঙ্ক এর জন্ম কাহিনী নিয়ে শুরু করলাম ধারাবাহিক পোস্ট,তবে লহ্ম্যণীয় যে,লেখাটি আমার নয়,এর সোর্স কি তাও আমার অজানা।কেউ জানলে কমেন্টে বলবেন,আশা করি পরবর্তীতে সংযুক্ত করতে পারব।


১৯৩৯ - ১৯৪০ ((ট্যাঙ্ক এর শৈশব))
---------------
সামরিক জেনারেলদের অনীহার কারণে, দ্বিতীয় বিশ্ব যুদ্ধ শুরু হলো তখন ট্যাংকের সংখ্যাও কম। খুব হাল্কা (ছয় সাত টন মাত্র) ওজন, সঙ্গে হয় একটি মেশিনগান বা একটি ছোটো কামান। অস্ত্র বলতে এই। গায়ের লোহার চাদর বড় জোর রাইফেলের গুলি আটকাতে পরে। নাম ছিলো ইনফ্যাϾট্র ট্যাংক। পদাতিক সেনানীর সাথে গুড়গুড়িয়ে চলবে।

নাৎসি বাহিনী পোল্যান্ড আক্রমন করলে তাদের সাথে ছিলো প্যানজার ওয়ান। দুজন ভিতরে বসতেন,চালক ও গোলন্দাজ। অস্ত্র বলতে দুটি হেভি মেশিনগান । এই খেলনাগাড়ি অবশ্য বেশী দিন টেঁকে নি। প্যানজার টু - যাতে আছে একটি ছোটো কামান আর ওজনেও একটু ভারী, ততক্ষনে হাজির হয়েছে। এই ১৯৪০ সালেই এসে যাবে আরো উন্নততর বিকল্প, প্যানজার থ্রি। বাইশ টন ওজন, রাশান যুদ্ধে ১৯৪২ পর্য্যন্ত এই ট্যাংকটি ই ছিলো নাৎসি সেনার প্রধান ব্যাটল ট্যাংক।

ট্যাংকের প্রথম দাপট দেখা দিল ১৯৪০'র মাঝামাঝি, যখন মাত্র ছয় দিনের যুদ্ধেই মহা শক্তিশালী ফ্রান্স হেরে গেলো জার্মানীর দুই ট্যাংক বিশারদের বিদ্যুত গতির কাছে। গুডেরিয়ান আর রোমেল, বিশেষত: গুডেরিয়ান সেই যুদ্ধের হিরো। মিউস নদী পার হয়ে দ্রুত তার সাঁজোয়া বাহিনী ছুটে চলল - তার উর্দ্ধস্তন সেনানায়কের নির্দেশ অমান্য করেই, এমন কি ঐ দ্রুত গতিতে শংকিত হয়েছিলেন হিটলর স্বয়ং। তিনিও গুডেরিয়ানকে বলেছিলেন "যারা ধীরে চলো"। কর্ণপাত করেননি গুডেরিয়ান। গড়ে চল্লিশ মাইল স্পীডে তিনি ছুটে চল্লেন তার সাঁজোয়া বাহিনী নিয়ে। জার্মান পদাতিক সেনারা অনেক পিছিয়ে ।

ফরাসি প্রধানমন্ত্রী রেনো ১৫ই মের সকাল বেলায় ফোন করলেন চার্চিলকে , " আমরা পরাজিত, আমরা যুদ্ধে হেরে গেছি '। বিশ্বাসই করতে চান নি চার্চিল। ম্যাজিক ছিলো দুটো । এক, স্টুকা ডাইভ বোম্বারের ট্যকটিকাল ব্যবহার আর দুই,ট্যাংক বাহিনীর দুর্দান্ত মোবাইল লড়াই। মানসিক ভাবে তখনো প্রথম বিশ্ব যুদ্ধের দুর্গ নির্ভর "ডিফেনসিভ' যুদ্ধনীতিতে বিশ্বাসী ফরসী সেনারা এক বারের জন্যেও মাথা তুলে দাঁড়াতে পারলো না।
ট্যাংকের রনকৌশল আর নতুন design নিয়ে চিন্তা তখন শুরু হয়ে গেছে। 



"যুদ্ধ দানব ট্যাঙ্ক" (( #3য়_খন্ড))

আধুনিক যুদ্ধের হাতিয়ার হিসেবে "ট্যাঙ্ক" একটি মারাত্নক অস্র,আর এই ট্যাঙ্ক এর জন্ম কাহিনী নিয়ে শুরু করলাম ধারাবাহিক পোস্ট,তবে লহ্ম্যণীয় যে,লেখাটি আমার নয়,এর সোর্স কি তাও আমার অজানা।কেউ জানলে কমেন্টে বলবেন,আশা করি পরবর্তীতে সংযুক্ত করতে পারব।

১৯৪১
------- 
১৯৪১ সনের মাঝামঝি জার্মনী সোভিয়েত রাশিয়া আক্রমন করলো। সে এক ইলাহী ব্যাপার। হিটলার বললেন " সমস্ত দুনিয়া রুদ্ধ্বশ্বাসে আমাদের দেখছে'। ঐতিহাসিক এ জে পি টেইলর বল্লেন " coming of the world war '। এবারে সত্যি বিশ্ব যুদ্ধ শুরু হল। শুরু হল যেন সুনামির বন্যা। তাসের প্রাসাদের মতন ভেঙে পড়ছে রাশিয়ার প্রতিরক্ষা। বছর শেষ হবার আগেই মস্কোর কাছাকাছি পৌছে গেলো নাৎসি বাহিনী।

তবু ঐ একতরফা লড়াইতে ছন্দপতন একটাই। সেটি জার্মান প্যনজার থ্রি বনাম রাশান টি ৩৪'র ট্যাংকের তুলনা। রাশিয়ান ট্যাংক টি ৩৪ যে বিশ্ব যুদ্ধের সেরা ট্যাংক সে নিয়ে আদৌ কোনো মতবিরোধ নেই। জার্মান সেনারাও প্রথম মোকাবিলায় টি ৩৪'র মুখোমুখি হয়েই বিপদ ঘন্টি বাজিয়ে দিলেন। তাদের প্যানজার থ্রি আদৌ টি ৩৪'র সমকক্ষ নয়।

বাইশ টনের প্যানজার থ্রিতে ছিলো ৩৭মিমি কামান আর দুটো মেশিন গান। বেশ সাদামাটা ডিজাইন। আর টি ৩৪ ছিলো ২৬ টন ওজনের। ৭৬ মিমির কামান আর ভারী মেশিনগান । ১৯৩৯ সালে কিছুটা ব্রিটিশ ক্রিস্টি কোম্পানীর নকশা নিয়ে টি ৩৪ ট্যাংক তৈরী হয়েছিলো । জার্মান আক্রমনের প্রথম দিকে রাশিয়া খুব কমই টি ৩৪ ব্যবহার করেছিলো। কেন না ওটা ছিলো সোভিয়েত রাশিয়ার টপ সিক্রেট , ট্রাম্প কার্ড। কিন্তু ঐ অল্প সংখ্যক টি ৩৪'র মোকাবিলা করতে গিয়ে নাৎসী বাহিনী নাস্তানাবুদ। তারা হেড কোয়ার্টারে খবর দিলেন শিগগিরি টি ৩৪'র মতন ট্যাংক বানিয়ে দাও আমাদের ।

গুডেরিয়ান তার " প্যানজার লীডার ' বইতে লিখলেন ... " টি ৩৪'র মুখোমুখি হয়ে আমরা বুঝতে পারলাম দ্রুত সুনিশ্চিত বিজয় আমাদের পক্ষে সম্ভব নয় " । টি ৩৪ ছিলো ট্যাংকের ডিজাইনে অন্তত: পাঁচ কদম এগিয়ে। প্রথমত: অন্যান্য সমসাময়িক ট্যাংকের বাক্স টাইপের চেহারার বদলে টি ৩৪'র টারেট ছিল ঢালু। তাই বিপক্ষের গোলা অনেক সময়েই ঠিকরে যেতো । ছিল খুব দ্রুত গতির (৫০ মাইলের উপর) আর তার কামান ছিলো সব থেকে দুর পাল্লার। ট্যাংকের লোহার চাকা ছিল খুব চওড়া, তাই স্নো বা কাদায় কম অসুবিধেয় পড়ত। ইঞ্জিন ছিলো ডিজেলের। তাই পেট্রল ট্যাংকের মতন অতো ইনফ্লেমেবল ছিল না। আর মেশিন হিসেবে ছিল খুব নির্ভরযোগ্য। শক্তপোক্ত। শুধু ডিজাইন নয়, টি ৩৪'র ম্যানুফ্যকচারিং প্রসেস ছিলো অতি আধুনিক। তাই স্তালিন যখন ট্যাংক ফ্যাকটরী গুলিকে সাইবেরিয়া ও অন্যান্য প্রত্যন্ত প্রদেশে পাঠিয়ে দিয়েছিলেন , সেখানে খুব অল্প সময়েই জোরদার একশোভাগ প্রডাকশন শুরু করা গিয়েছিল।

এই বছরেরই ফেব্রুয়ারি মাসে উত্তর আফ্রিকায় পৌছে গেলেন ট্যাংক যুদ্ধের জাদুগর রোমেল। সে সময়কার বৃটিশ রণকৌশলকে সম্পুর্ন উপেক্ষা করে রোমেল চালু করলেন তাঁর দ্রুত গতির লড়াই - ট্যাংক যার প্রধান হাতিয়ার।

স্মৃতিচারনায় রোমেল একাধিকবার উল্লেখ করেছেন যে ব্রিটিশ ট্যাংকের obsolete design and technology । তখন প্রধান ব্রিটীশ ট্যাংক ছিলো মাটিলডা। নিতান্ত থপথপে আর বেশ ভারী। ছোটো সাইজের কামান।ব্রিটিশ থিওরী ছিলো যে মাটিলডার পুরু লোহার চাদর কোনো জার্মন ট্যাংক ভেদ করতে পারবে না।

জার্মানির হাতে ছিলো অতি চমৎকার বিমান বিধ্বংসী ৮৮মিমি কামান। রোমেল সেই কামানগুলিকে আকাশমুখী না করে ট্যাংকের বিরুদ্ধে ব্যবহার করলেন আর মাটিলডার কবরখানায় মরুবিজয়ের কেতন রোমেলের হাতেই রইল। ব্রিটিশদের হাতেও ছিল তাদের চমৎকার ৩.৭ ইঞ্চি ব্যাসের বিমান বিধ্বংসী কামান। কিন্তু তারা কখনই সেগুলিকে ট্যাংকের বিরুদ্ধে ব্যবহার করেন নি। চোখের সামনে জলজ্যান্ত উদাহরন থাকতেও এরকম চিন্তা শক্তির দৈন্য ছিলো নিতান্ত ট্র্যাজিক। বছরের শেষের দিকে ব্রিটিশ বহিনী ক্রুসেডার নামের দ্রুত গতির (৪০ মাইল ঘন্টায়) ট্যাংক নামালো কিন্তু সেই ট্যাংকের কামান এতই কমজোরী ছিলো যে খুব সুবিধে হলো না।

১৯৪১ সালে আফ্রিকায় রোমেলের একটানা বিজয় অভিযান। অবহেলে যুদ্ধ জিতছেন তিনি। " এই বিজয় ,আমাদের উন্নততর ট্যাংকের জন্যই সম্ভব হয়েছিল' স্বীকার করলেন রোমেল। প্যানজার থ্রি আর ফোর মডেলের কাছে দাঁড়াতে পারে নি ব্রিটীশ মাটিলডা ও ক্রুসেডার ট্যাংক। 



BTR-80(Armoured Transporter)

BTR-80(Armoured Transporter) :
১৯৯৪ সাল থেকে বাংলাদেশে বিটিআর-৮০ এর ব্যাবহার শুরু হয়েছে । এর মধ্যে ২০১২ সালে রাশিয়া থেকে ১৫০ টি বিটিআর-৮০ আনা হয়েছে যার মধ্যে ১৪০ টি এপিসি(আর্মড পারসনেল ক্যারিয়ার) , ৫ টি এপিসি-এ্যাম্বুলেন্স ভার্সন, ৫ টি এআরভি(আর্মড রিকভারি ভেহিকেল) । BTR-৮০ তে কমান্ডার, ড্রাইভার ও গানারসহ ৭ জন সৈন্য বহন করতে পারে । ২৬০ এইচপি ইঞ্জিনের এই ভেহিকেলটি রাস্তায় ৮০ কিঃমিঃ/ঘন্টা ও ভাসমান অবস্থায় ৯ কিঃমিঃ/ঘন্টা বেগে ছুটতে পারে । সুরক্ষার কথা বলতে গেলে এটায় আছে এনবিসি(নিউক্লিয়ার, বায়োলজিকাল, কেমিক্যাল) প্রোটেকশন , অটোমেটিক ফায়ারিং সিস্টেম, ক্যামোফ্লাজ ডিভাইস ও সেলফ রিকভারি উইঞ্চ । অ্যাটাকিং মোডে যাওয়ার জন্য এতে আছে 14.5mm ও 7.62 mm মেশিন গান যাদের ফায়ারিং রেঞ্জ যথাক্রমে ২ ও ১.৫ কিঃমিঃ । এতে আরো আছে ৬ টি স্মোক গ্রেনেড লঞ্চার ।



Polaris ATV

Polaris ATV : 


বাংলাদেশ আর্মির প্যারা কমান্ডো টিমের জন্য সম্প্রতি আমেরিকা থেকে আনা হয়েছে Polaris ATV(all-terrain vehicle) । হেলিকপ্টার ডেপ্লয়েবল এই ভেহিকেলগুলো আসলে চার চাকার মোটরসাইকেল। যুদ্ধাবস্থায় এগুলো যে কোন পরিবেশে দ্রুততম সময়ে স্নাইপার পৌঁছে দিতে পারে । প্রথমে দেখে খেলনা মনে করছিলাম পরে নেটে খুইজ্জা দেখলাম কামে আছে ।


ভয়ঙ্কর যুদ্ধাস্ত্রঃ কাউন্টডাউন ৫!!!

যুদ্ধক্ষেত্রে বিমান আক্রমণ যেকোন মূহুর্তে যুদ্ধের মোড় ঘুরিয়ে দিতে পারে। আর সেই আক্রমণ যদি হয় অত্যাধুনিক অস্ত্রশস্ত্র সজ্জিত F 22 Raptor এর মত
কোন জেট ফাইটার দিয়ে তাহলে তো কথাই নেই!

F 22 Raptor একটি 
অত্যন্ত দ্রুতগামী জেট ফাইটার যা ইউ. এস. আর্মির প্রধান যুদ্ধবিমান হিসেবে ব্যবহৃত হয়। এটি একটি “Single-seat,Twin-Engine Fifth-Generation Super
maneuverable Fighter Aircraft” যাতে ব্যবহার করা হয়েছে সাম্প্রতিক উদ্ভাবিত “Stealth Technology” । এই প্রযুক্তি কয়েক হাজার মিটার উপরেও ফাইটার প্লেনটির ভারসাম্য রক্ষার পাশাপাশি সঠিক ভাবে লক্ষ্যভেদ করতে সহায়তা করে। এটিকে একটি “Air
Superiority Fighter” এর ক্যাটাগরীতে স্থান দেয়া হলেও এই ক্যাটাগরীর অন্য প্লেনের তুলনায় এতে বাড়তি সুবিধা হিসেবে রয়েছে Ground Attack, Electronic Warfare ও Signals Intelligence জড়ো করার সামর্থ্য। প্রায় ৬৬.৭ বিলিয়ন ডলার মূল্যের এই ভয়ংকর যুদ্ধাস্ত্রটিকে স্থান দেয়া হয়েছে সেরা দশের পাঁচ নম্বরে।

এক নজরে F 22 Raptor :

Type : Air Superiority Fighter.

Place Of Origin : United States Of America.

Crew : 1.

Length : 62 ft 1 in (18.90 m).

Wingspan : 44 ft 6 in (13.56 m).

Height : 16 ft 8 in (5.08 m).

Wing Area : 840 ft² (78.04 m²).

Empty Weight : 43,430 lb (19,700 kg).

Loaded Weight : 64,460 lb (29,300 kg)

Max. Take Off Weight : 83,500 lb (38,000 kg)

Max Speed : At Altitude Mach 2.25 (1,500 mph, 2,410 km/h) & Super cruise 2.25 (1,500 mph,
2,410 km/h).

Armament :

•Guns : 1× 20 mm(0.787 in) M61A2 Vulcan 6-Barreled Gatling Cannon in Starboard Wing Root, 480 Rounds.

•Air to air loadout : 6× AIM-120 AMRAAM & 2× AIM-9 Sidewinder.

•Air to ground loadout : 2× AIM-120 AMRAAM, 2× AIM-9 Sidewinder, 2× 1,000 lb (450 kg)
JDAM & 8× 250 lb (110 kg) GBU-39 Small Diameter Bombs.

Radar : 125–150 Miles (200–240 km) Against 1 m2 (11 sq ft) Targets (Estimated Range).